জাতীয় সংসদ ভবনের গল্প
- anjoncucse
- 9 hours ago
- 6 min read
আগামীকাল নির্বাচন। ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬।
নতুন সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন। তারপর তাঁরা ঢুকবেন একটা ভবনে। শেরেবাংলা নগরে দাঁড়িয়ে থাকা সেই বিশাল কংক্রিটের ভবন - জাতীয় সংসদ ভবন।
কিন্তু এই ভবনটার গল্প কতজন জানেন?
শুরুটা করি একটু পেছন থেকে। ১৯৫৯ সাল।
তখন বাংলাদেশ নেই। আছে পূর্ব পাকিস্তান। পাকিস্তানের সামরিক শাসক আইয়ুব খান একটা সিদ্ধান্ত নিলেন, ঢাকাকে "দ্বিতীয় রাজধানী" বানাবেন। পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ অনেকদিন ধরে বঞ্চিত। অর্থনীতিতে, রাজনীতিতে, সবকিছুতে। আইয়ুব খান ভাবলেন, ঢাকায় একটা বড় সংসদ ভবন বানালে মানুষ খুশি হবে।
রাজনীতিবিদদের হিসাব সবসময় এরকমই হয়। ভবন বানাও, সেতু বানাও, মানুষ খুশি।
কিন্তু যে ভবনটা শেষ পর্যন্ত তৈরি হলো, সেটা শুধু রাজনৈতিক হিসাবের জিনিস রইল না। সেটা হয়ে গেল বিশ শতকের স্থাপত্যের অন্যতম সেরা কাজ।
এবার আসি সবচেয়ে মজার অংশে।
ভবনটা ডিজাইন করবেন কে? সরকার প্রথমে গেল মাজহারুল ইসলামের কাছে। তিনি তখন পূর্ব পাকিস্তানের সবচেয়ে বিখ্যাত স্থপতি। ইয়েল ইউনিভার্সিটি থেকে পড়ে এসেছেন।
মাজহারুল ইসলাম কাজটা নিতে পারতেন। নিলেন না।
কেন? কারণ তিনি বুঝেছিলেন, এই ভবনটা সাধারণ ভবন না। এটা দিয়ে ঢাকাকে বিশ্বের মানচিত্রে তুলতে হবে। এই কাজের জন্য দরকার বিশ্বমানের কেউ।
তিনি প্রথমে চেষ্টা করলেন ফিনিশ স্থপতি আলভার আল্টোকে আনতে। পারলেন না। তারপর চেষ্টা করলেন লে করবুজিয়েকে। তিনিও ব্যস্ত, ভারতের চণ্ডীগড়ে কাজ করছেন।
শেষে মাজহারুল ইসলাম সুপারিশ করলেন তাঁর ইয়েলের শিক্ষককে। নাম — লুই আই কান।
একটু ভাবুন। বাংলাদেশের সবচেয়ে বিখ্যাত ভবনটা তৈরি হলো কারণ একজন বাঙালি স্থপতি নিজে না করে তাঁর শিক্ষককে ডেকে আনলেন। মাজহারুল ইসলামের এই সিদ্ধান্তটা ছিল অসাধারণ। নিজের খ্যাতির চেয়ে দেশের স্থাপত্যকে বড় করে দেখেছিলেন।
লুই কান এর তখন ৬১ বছর বয়স। পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রিচার্ডস মেডিকেল রিসার্চ ল্যাবরেটরি ডিজাইন করে নাম করেছেন।
১৯৬৩ সালের জানুয়ারিতে তিনি প্রথমবার ঢাকায় এলেন। সাইট দেখলেন। ২০০ একরের বিশাল সমতল জমি। চারপাশে ধানক্ষেত।জলাভূমি।ব-দ্বীপের নরম মাটি।
কান এই জমি দেখে যা ভাবলেন, সেটা একজন সাধারণ স্থপতি ভাবতেন না।
তিনি ভাবলেন, এই পানি, এই সমতল জমি, এটা সমস্যা না। এটাই ডিজাইনের ভিত্তি হবে। বাংলার নদী-খাল, পানি, প্রকৃতি এসবকে ভবনের সাথে মিশিয়ে দেবেন।
তিনি ভবনের তিন পাশে কৃত্রিম লেক বানালেন। পানির উপর দিয়ে ভবনটা দেখলে মনে হয়, কংক্রিটের একটা দৈত্য পানি থেকে উঠে এসেছে। শান্ত। স্থির। কিন্তু শক্তিশালী।
এবার ভবনটার কথা বলি।
জাতীয় সংসদ ভবনে কোনো সাধারণ কলাম নেই।একটাও না।
এটা শুনলে অবিশ্বাস্য লাগে। এত বড় ভবন, কলাম নেই? তিনি বানালেন "hollow column" - ফাঁপা স্তম্ভ। লুই কান কলামের ধারণাটাই উলটে দিয়েছিলেন। তিনি নিজেই বলেছিলেন - "If you see a series of columns you can say that the choice of columns is a choice in light... Now think of it just in reverse and think that the columns are hollow and much bigger and that their walls can themselves give light, then the voids are rooms, and the column is the maker of light"
ভবনটা মোট ৯টা ব্লক নিয়ে তৈরি। মাঝখানে একটা অষ্টভুজাকৃতির ব্লক, এটাই সংসদ কক্ষ। চারপাশে আটটা ব্লক। উচ্চতায় কেন্দ্রের ব্লক ১৫৫ ফুট, বাকিগুলো ১১০ ফুট।
কিন্তু বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় একটাই ভবন। আলাদা করা যায় না। পুরোটা মিলেমিশে একটা একক কাঠামো।
বাইরের দেয়ালে বিশাল বিশাল জ্যামিতিক ছিদ্র, বৃত্ত, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ। এগুলো দেখতে শিল্পকর্মের মতো লাগে। কিন্তু এগুলো শুধু সৌন্দর্যের জন্য না। ঢাকার প্রচণ্ড গরম আর বৃষ্টি থেকে ভবনকে বাঁচানোর জন্য এই ডিজাইন। রোদ সরাসরি ভেতরে ঢোকে না। বাতাস চলাচল করতে পারে। আবার বৃষ্টির পানিও আটকায়।
এটাই লুই কানের মুন্সিয়ানা। সৌন্দর্য আর কার্যকারিতা, দুটোকে একসাথে মিলিয়ে দিয়েছেন।
আলোর কথা আলাদা করে বলতে হয়।
লুই কান বলতেন, “Architecture is the reaching out for light”. আলো হলো স্থাপত্যের আত্মা। সংসদ কক্ষের উপরে একটা প্যারাবোলিক শেল রুফ আছে। উচ্চতা ১১৭ ফুট। এই ছাদের উপরে একটা ক্লিয়ারস্টোরি আছে যেখান দিয়ে প্রাকৃতিক আলো ঢোকে। আলো প্রথমে অষ্টভুজাকৃতির দেয়ালে পড়ে, তারপর প্রতিফলিত হয়ে পুরো কক্ষে ছড়িয়ে যায়।
সারাদিন এই আলো বদলায়। সকালে এক রকম, দুপুরে আরেক রকম, বিকেলে আরেক রকম। কৃত্রিম আলোর ব্যবস্থাও আছে। কিন্তু এই কৃত্রিম আলো এমনভাবে ডিজাইন করা যে প্রাকৃতিক আলোর পথে বাধা দেয় না।
কান বলতেন, তাঁর ডিজাইনে দেয়ালগুলো নিজেই আলো তৈরি করে। শুনতে কবিতার মতো লাগে। কিন্তু ভবনটা দেখলে বুঝবেন কথাটা সত্যি।
কংক্রিট আর মার্বেলের কথা বলি।
ভবনটা তৈরি হয়েছে ঢালাই কংক্রিট দিয়ে। লুই কান চাননি ভবনে রঙ বা প্লাস্টার লাগুক। কংক্রিটের স্বাভাবিক রূপটাই দেখাতে চেয়েছেন - ভারী, শক্ত, সৎ।
কিন্তু একটা সমস্যা ছিল। কংক্রিট ঢালাইয়ের সময় কাজের মাঝে জয়েন্ট থাকে। সেটা দেখতে খারাপ লাগে। কান সমাধান বের করলেন, প্রতি পাঁচ ফুট পরপর সাদা মার্বেলের ব্যান্ড বসিয়ে দিলেন। এই মার্বেল ছয় ইঞ্চি ভেতরে ঢুকানো। এগুলো "Drip mold" হিসেবে কাজ করে, ফলে বৃষ্টির পানি গড়িয়ে পড়ে, দেয়ালে দাগ পড়ে না।
এই কংক্রিট আর মার্বেলের ডোরাকাটা প্যাটার্নটাই ভবনটার সবচেয়ে চেনা রূপ।
নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ১৯৬৪ সালে। সেই সময় পূর্ব পাকিস্তানে ভারী মেশিনপত্র প্রায় ছিল না। ক্রেন? সেটা আরো পরে এসেছে। ছয় তলা পর্যন্ত ভবন উঠে গেছে কিন্তু তখনো ক্রেন আসেনি।
তাহলে কংক্রিট উপরে গেল কীভাবে?
মানুষের মাথায়। হ্যাঁ, হাজার হাজার শ্রমিক, মাথায় ঝুড়িতে করে ভেজা কংক্রিট নিয়ে বাঁশের ভারা বেয়ে উঠতেন। ১০০ ফুটেরও বেশি উচ্চতায়।
এটা ভাবলে গায়ে কাঁটা দেয়। যে ভবনটাকে আজ বিশ্বের অন্যতম সেরা স্থাপত্য বলা হয়, সেটা তৈরি হয়েছে বাঙালি শ্রমিকদের কাঁধে, বাঁশের ভারায়, ঢাকার রোদে-বৃষ্টিতে।
সংসদ ভবনের মসৃণ কংক্রিটের ফিনিশিং পাওয়ার জন্য অত্যন্ত নিখুঁত "Timber Formwork" প্রয়োজন ছিল। স্থানীয় শ্রমিকরা এতে অভ্যস্ত ছিলেন না, তাই সাইটে তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
সংসদ ভবনের উত্তর দিকে অবস্থিত সংসদ সদস্যদের হোস্টেল এবং অন্যান্য স্থাপনায় লুই কান "Exposed Brickwork" ব্যবহার করেছেন। স্থানীয় রাজমিস্ত্রিরা সাধারণত ইট গেঁথে প্লাস্টার করতে অভ্যস্ত ছিলেন, কিন্তু প্লাস্টার ছাড়া নিখুঁত ইটের গাঁথুনি এবং জয়েন্ট ঠিক রাখার জন্য তাদের আলাদাভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল।
তারপর এলো ১৯৭১।
মার্চে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে সব কাজ বন্ধ। ভবনটা তখন কংক্রিটের কঙ্কাল। অসম্পূর্ণ।
এখানে একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটল। যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি পাইলটরা আকাশ থেকে এই কাঠামো দেখেছিলেন। বিশাল কংক্রিটের সিলিন্ডার, অদ্ভুত জ্যামিতিক নকশা, তাঁরা ভেবেছিলেন এটা কোনো প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ।
বোমা মারেননি।
ভবনটা বেঁচে গেল।
যুদ্ধ শেষ হলো ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১। বাংলাদেশ স্বাধীন হলো। নতুন সরকারের সামনে একটা বড় প্রশ্ন, এই অসম্পূর্ণ ভবনটা কী করবে? পাকিস্তান আমলে শুরু হওয়া প্রকল্প। নতুন দেশের জন্য চালিয়ে যাওয়া কি ঠিক হবে?
১৯৭৪ সালে সিদ্ধান্ত হলো, ভবনটা শেষ করা হবে। লুই কানের আসল ডিজাইন অনুযায়ীই। কিছু বদলানো হবে না।
এই সিদ্ধান্তটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। একটা সদ্য স্বাধীন দেশ, অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা - তবু তারা বলল, এই ভবন আমাদের গণতন্ত্রের প্রতীক হবে। আমরা শেষ করব।
কিন্তু তার আগে আরেকটা ঘটনা ঘটল। যেটা জানলে মনটা খারাপ হয়।
১৯৭৪ সালের ১৭ মার্চ। লুই কান ভারত ও বাংলাদেশ সফর শেষে ফেরার পথে নিউ ইয়র্কের পেন স্টেশনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। একটি অত্যন্ত করুণ তথ্য হলো, মারা যাওয়ার সময় তাঁর পকেটে কোনো পরিচয়পত্র ছিল না । ফলে পুলিশ তাঁকে শুরুতে শনাক্ত করতে পারেনি এবং তিন দিন পর্যন্ত তাঁর মরদেহ মর্গে অজ্ঞাত হিসেবে পড়ে ছিল।তিনি তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় কাজটা শেষ দেখে যেতে পারলেন না।
সেই সময় ভবনটা প্রায় তিন-চতুর্থাংশ শেষ। বাকি কাজ শেষ করলেন কানের সহযোগী ডেভিড উইজডম আর হেনরি উইলকটস। তাঁরা কানের আঁকা প্রতিটা ড্রইং হুবহু অনুসরণ করলেন। একটা রেখাও বদলাননি।
ভবনটা শেষ হলো ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি। উদ্বোধন হলো ১৫ ফেব্রুয়ারি। শুরু থেকে শেষ, প্রায় ২০ বছর। মোট খরচ হয়েছিল ৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি টাকায় তখনকার হিসাবে প্রায় ১৩৩ কোটি টাকা।
কিছু তথ্য দিই। সংখ্যাগুলো শুনলে ভবনটার বিশালতা বুঝবেন।
পুরো কমপ্লেক্সের আয়তন প্রায় ২০০ একর। প্রধান ভবনের মেঝে আয়তন ৮,২৩,০০০ বর্গফুট। সংসদ কক্ষে ৩৫৪ জন বসতে পারেন। ভবনে ১,৬৩৫টা দরজা আছে। ৩৩৫টা জানালা। ৩৪০টা টয়লেট। ৫০টা সিঁড়ি।
আর ভবনটার বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ খরচ? প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা।
কংক্রিটের ভবন গরমের দেশে! কিন্তু কানের ডিজাইন এমনভাবে করা যে ভবনটা নিজেই নিজেকে ঠান্ডা রাখে লেকের পানি, জ্যামিতিক ছিদ্রের মধ্য দিয়ে বাতাস, দেয়ালের ছায়া - সব মিলিয়ে একটা প্রাকৃতিক শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।
মসজিদের গল্পটাও বলি।
ভবনের প্রবেশপথেই আছে একটা নামাজের ঘর। পাকিস্তান সরকার চেয়েছিল গম্বুজ আর মিনার সহ ঐতিহ্যবাহী মসজিদ। কান রাজি হননি। তিনি বললেন, পুরো ভবনটাই একটা পবিত্র জায়গা, মানুষের সমাবেশের জায়গা। আলাদা করে গম্বুজ লাগানোর দরকার নেই।
শেষ পর্যন্ত তিনি নামাজের ঘরটাকে ভবনের মূল প্রবেশপথ হিসেবে ডিজাইন করলেন। কিন্তু একটা কাজ করলেন, ঘরটাকে মূল অক্ষ থেকে ১৫ ডিগ্রি ঘুরিয়ে দিলেন। কেন? কেবলার দিকে মুখ করানোর জন্য।
এই ঘোরানো অংশটি ভবনের বাইরের জ্যামিতিক সাম্যাবস্থাকে কিছুটা ভেঙে দেয়। স্থপতিদের মতে, এই সামান্য 'অসমতা' ভবনটিকে একটি জীবন্ত রূপ দিয়েছে।
১৯৮৯ সালে ভবনটা আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার পেল।
মজার ব্যাপার হলো, ১৯৮৬ সালে প্রথমবার এই পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা হয়েছিল। তখন জুরি বলেছিল, ভবনটা ইসলামিক স্থাপত্য বা স্থানীয় মানুষের চাহিদা যথেষ্ট প্রতিফলিত করে না। তিন বছর পর, ১৯৮৯ সালে, সেই সিদ্ধান্ত বদলাল। জুরি স্বীকার করল, কান আসলে আঞ্চলিক স্থাপত্যের ভাষাকে বিমূর্ত করে সার্বজনীন রূপ দিয়েছেন।
২০০৩ সালে কানের ছেলে নাথানিয়েল কান "মাই আর্কিটেক্ট" নামে একটা ডকুমেন্টারি বানালেন। সেই ছবিতে তিনি ঢাকায় এসেছিলেন। সংসদ ভবন দেখে কেঁদে ফেলেছিলেন। একজন বাংলাদেশি স্থপতি তাঁকে বলেছিলেন, "আপনার বাবা আমাদের গণতন্ত্রকে একটা ঘর দিয়ে গেছেন।" ("He has given us a room for democracy")
এই ভবনটা শুধু একটা ভবন না। এটা বাংলাদেশের স্থাপত্যের ইতিহাস বদলে দিয়েছে।
লুই কানের উপস্থিতি ঢাকায় একটা নতুন ধারা তৈরি করল, যেটাকে অনেকে বলেন "ঢাকা স্কুল অফ আর্কিটেকচার"। মাজহারুল ইসলাম নিজে পরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, আর্ট কলেজসহ অনেক ভবন ডিজাইন করেছেন, সেগুলোতে কানের প্রভাব স্পষ্ট।
আজকের প্রজন্মের স্থপতিদের মধ্যে কাশেফ মাহবুব চৌধুরী আর মেরিনা তাবাসসুম, এঁরা দুজনেই কানের উত্তরসূরি। মেরিনা তাবাসসুমের বাইতুর রউফ মসজিদ ২০১৬ সালে আগা খান পুরস্কার পেয়েছে।
আগামীকাল নির্বাচন।
নতুন সংসদ সদস্যরা এই ভবনে ঢুকবেন।
লুই কান সংসদ ভবনকে কেবল একটি প্রশাসনিক ভবন হিসেবে দেখেননি। তিনি এটিকে বলতেন "The Place of Assembly". সেই জায়গাটা হওয়া উচিত পবিত্র। আলোয় ভরা। নীরবতায় ভরা।
ভবনটা আলোয় ভরা আছে। নীরবতায়ও।
এখন দরকার শুধু সঠিক মানুষের।




Comments